বৃহস্পতিবার, ২১ মার্চ, ২০২৪

সুখী মানুষ চেনার উপায়। সুখী মানুষের ছয়টি বৈশিষ্ট্য।

সুখী মানুষ চেনার উপায়। সুখী মানুষের ছয়টি বৈশিষ্ট্য।

সুখী মানুষ চেনার উপায়। সুখী মানুষের ছয়টি বৈশিষ্ট্য।

         সুখ একটি ক্ষণস্থায়ী অনুভূতি।  যারা এই অনুভূতিকে তুলনামূলক দীর্ঘায়িত করতে পারেন তাদের সুখী মানুষ বলা হয়। যে বৈশিষ্ট্যগুলি থাকলে একটি মানুষকে মোটামুটি সুখী বলা যেতে পারে। সেই বৈশিষ্ট্যগুলো উল্লেখ করা হল ।

. নিজেকে চেনা : সুখী মানুষ নিজেকে চিনতে পারে। নিজের জীবন সম্পর্কে স্বচ্ছ ধারণা থাকে। যেমন, তিনি অতীতে কী করতেন, বর্তমানে কী করছেন, ভবিষ্যতে আরও কী কী করবেন এবং  চারপাশে যা ঘটছে তার সাথে তিনি সম্পর্ক স্থাপন করতে পারেন। এই বিষয়ে যিনি যত সচেতন ভাবে জানবেন তিনি তত সুখী জীবনের দিকে এগিয়ে যাবেন। নিজের প্রতিদিনের কাজকে ছাপিয়ে নতুন কিছু শিখতে আগ্রহী হ‌ওয়া সুখী মানুষের লক্ষণ।

 ২. কথা রাখা : সুখী হতে চাইলে, কাউকে কোন  কথা দিলে কথা রাখতে হবে। এমনকি নিজেকে দেওয়া প্রতিশ্রুতিও রাখতে হবে।  অর্থাৎ কোনো কাজ করবো তো করবোই। সে কাজ অজুহাত দেখিয়ে ফেলে রাখব না। আর, সত্যি কথা বলা সুখী মানুষের অন্যতম গুণ।

৩: রুটিন ও সহ-রুটিন অনুসরণ করা : আমরা জীবিকা কিংবা প্রয়োজনের তাগিদে যেসব কাজ করি। তার সঙ্গে সুযোগ সুবিধা মতো অন্য কাজ‌ও করতে হবে। যেমন, আমি জব করি। অবসরে টবে গাছ লাগাই। সেগুলোর পরিচর্যা করি। কিম্বা যারা পড়াশোনা করেছে, তারা সিলেবাসের পাশাপাশি বাইরের বইও পড়বে। এতে তারা অনেকটা মানসিক চিন্তা মুক্ত সুখী জীবন পাবে।

৪. চারিত্রিক দৃঢ়তা : কঠিন পরিস্থিতিতে যে কোন সমস্যা নিরপেক্ষ ভাবে সমাধান করতে পারা কিংবা নিয়ন্ত্রণ করতে পারাকে চারিত্রিক দৃঢ়তা বলে। যারা কোন কিছু শুরু করলে শেষ করতে পারেন, তাদের সাহসী বলে। এমন চারিত্রিক দৃঢ়তা সম্পন্ন সাহসী মানুষেরা জীবনে সুখী হয়। চারিত্রিক দৃঢ়তা সম্পন্ন
মানুষ দুঃখে ভেঙে পড়ে না এবং আনন্দের আবেগে ভেসে যায় না। এটা মানসিক স্থিরতা ও সুখ দেবে।

৫. সৃজনশীলতা : সুখী মানুষেরা অনেক ক্ষেত্রে সৃজনশীল হন । নিত্যনতুন সৃষ্টির নেশায় বুঁদ হয়ে থাকলে আনন্দময় জীবন যাপন করা সম্ভব। নতুন একটা নাচ শেখা, গান গাওয়া, কবিতা ও গল্প লেখা, ছবি আঁকা প্রভৃতি সৃজনশীল কাজ মানুষকে অপরিমের সুখ দেয়। এমনকি নিজের প্রিয় কোনো বাদ্যযন্ত্র বাজাতে শেখার তালিম নিলে উপকার হবে।

৬. মানবত্ব : অন্যকে সাহায্য করা, উপকার করা, দান করা বা অন্যকে ভালোবাসতে পারায় গুণকে মানবত্ব বা মানবিকতা বলে। আপনি অন্যের সুখে সুখী এবং দুঃখে সমব্যথী হতে পারেন। তবে আপনি সুখী মানুষ।
 
      এছাড়া, সুখী মানুষ পজেটিভ থিংকিং করেন। বিরক্ত কম হন। তাদের কমিউনিকেশন স্কিল খুব ভালো হয়। অর্থাৎ, তারা অন্য মানুষের সাথে সুসম্পর্ক স্থাপন করতে পারে।

     আশা রাখি, সবাই সুখী মানুষ হয়ে উঠবেন।
____________________________________________
লেখাটি পড়ার জন্য অনেক শুভেচ্ছা ধন্যবাদ। সাথে থাকুন। পাশে থাকুন । ব্লগটিকে ফলো করুন। শেয়ার করুন। ভালো থাকুন। সুস্থ থাকুন।

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন