বর্জ্য
উৎপল মণ্ডল
রোজ সকালে কৃষ্ণের বাঁশি বাজলেই
প্রায়-ভর্তি বালতি নিয়ে দৌড়ে আসি।
চোখাচোখি হতেই
বাঁশি মুখের মিষ্টি হাসি।
এটাও একপ্রকারের প্রেম।
তারপর, সাফাইকর্মী কেষ্টদার
ঠেলাগাড়ির কৃষ্ণ গহ্বরে
বালতি উল্টে সব ঢেলে দিই।
কী ঢালি...
গত চব্বিশ ঘণ্টায় জমিয়ে রাখা—ফল সবজির খোসা, খাবারের অবশিষ্ট, খাবারের প্যাকেট, হোম ডেলিভারির প্যাকেট, মেয়ের পুতুলের টুকরো, ছেলের অকেজো ঘড়ি, এক্সপেয়ারি ফেসপ্যাক চুরমার ওয়াইন গ্লাস, মোবাইলের ফ্লিপ কভার, এলোমেলো ক্যারিব্যাগ, মেঝের ধূলোকণা এবং পুষে রাখা রাগ, ঘৃণা, হতাশা, অবহেলা। এমন যা কিছু।
এগুলো গুরুত্বপূর্ণের অংশ ছিল।
এখন আবর্জনা। বর্জ্য পদার্থ।
কেষ্টদা গাড়ি ঠেলে এগোয়।
বাঁশি বাজায়।
অন্যরা আবর্জনা ফেলতে প্রস্তুত হয়ে ওঠে...
মানুষ এভাবেই স্মৃতি জমায়।
আর ঢালে কালের গর্ভে।
______________________________________________________________
কবিতাটা পড়ার জন্য অনেক শুভেচ্ছা ধন্যবাদ। সাথে থাকুন। পাশে থাকুন । ব্লগটিকে ফলো করুন। শেয়ার করুন। ভালো থাকুন। সুস্থ থাকুন।

কি দারুন ভাবনা
উত্তরমুছুন