মাথুর পর্যায়
সরলরেখার রাস্তা
সমান্তরাল রেখার রাস্তা।
আর পিছুটান চাইনাঃ-
ঘাড় ঘুরিয়ে দেখতেও চাই না-
পথের বাঁকে ঋতমাদের বাড়ি।
গেটে আর্চ হয়ে থাকা মাধবীলতা,
একপাশে বারোমেসে শিউলি ফুল,
দোতালায় ছাদের আবছা আদর
এলো চুল
নখের আঁচড়
পায়ের চুপকথা
লাল ঘুনসির গিঁট
টিকটিকি ডাকা বুক
নোনা বালির দাগ
পোশাকি শরীর ঝেড়ে দিয়ে যাক।
এসব পার হয়ে গেছিঃ-
মিঠে খালের বাঁধ
ঘুঁটে দেওয়া দেওয়াল
হাঁটু জলের হিজল গাছ
হাটুরে ধুলোর বিকাল
তারাদের ছায়া ফেলা মুখবোজা পথ
বুকের ভেতর ইলিশ-কাঁটার খচখচ।
ঋতমা এতো ভালোবাসা দিয়েছে,
তা এক জন্মেও শেষ হবে না।
গভীর ভালোবাসার পাশে
বেশিদিন থাকলে
অযত্নের শ্যাওলা জন্মায়।
এই ভয়ে, দূরে যাচ্ছি - সরে যাচ্ছি।
দূরে দূরে যাচ্ছি।
মরে মরে যাচ্ছি।
সরলরেখা ধরে যাচ্ছি।
সমান্তরাল হয়ে যাচ্ছি।
আর যেন না ফিরি পিছুটানে....
এ মাথুর পর্যায়ে সুখ কিনিনি
নেই হাতছানি কোনো রুক্ষিনীর।
ফেলা আসা গ্রামের নাম ঋতমা।
কিম্বা রাধা
হয়ে ওঠে স্বপ্নের গভীরে।
শহুরে কলাহল - নির্জন বাউল মাধুকরী
শোনায় ; -
'ভ্রমর কইও গিয়া.........'
থমকায় প্রহর।


কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন