কবন্ধ
জগাদার মাংসের দোকানে,
মাংস কাটার গোল কাঠের উপর
নিজেকে রেখেছি।
চপাতির ঝাপাঝপ কোপে
কেটে ফেলেছি পা দুখানা।
যে পা হেঁটে বিক্ষোভের সারিতে
সামিল হতে পারে না,
তার নাম ট্যাংরি।
কেটে ফেলেছি পা দুখানা।
যে পা হেঁটে বিক্ষোভের সারিতে
সামিল হতে পারে না,
তার নাম ট্যাংরি।
হাত দুটোকে কাটিয়েছি
কাঠগোলার করাত কলে।
যে হাত বিদ্রোহের তাতে
মুঠো পাকাতে জানে না,
সে জঞ্জাল পাটকাঠি।
মুখ নাক কানের গর্ত
বোজালাম প্লাস্টার অফ প্যারিসে।
এভাবে প্রতিবাদী শব্দ বলা কিম্বা শোনা
এবং স্পর্শকাতরতার গন্ধ
পাওয়ার দরজা চিরতরে বন্ধ করলাম।
চোখ দুটোকে উপড়ে
হুইল বড়শিতে গেঁথে
বাওড়ের জলে ফেলেছি,
গভীর জলের মাছ দেখার আশায়।
মুন্ডু ছিন্ন করে কাঁটাতারের বেড়ায় ঝুলিয়েছি।
এমন পাহারাদার আর কোথায় পাবে?
মুন্ডুহীন বডিটা আরামের সুখের
নীল বিছানায় চিৎ হয়ে শুয়ে আছে।
তবুও,
কোজাগরীর জ্যোৎস্না ভিজচ্ছে
সম্প্রীতির বারান্দায়।
______________________________
✒️উৎপল মণ্ডল🖋️
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন