![]() |
| ঠান্ডা থাকার নিনজা টেকনিক। ঠান্ডা থাকার আট উপায়। |
দিন দিন তাপমাত্রা পাল্লা দিয়ে বাড়ছে। গরম যেন মানুষকে বলছে , 'দেখবি আর জ্বলবি'। এই গরমে এক মহাজাগতিক গরীব মানে আমি কিভাবে ঠান্ডা থাকি এবং ঘরকে ঠান্ডা রাখি তার নিনজা টেকনিকগুলি হল –
১. কাজের সময় : দিনের কাজগুলি সকাল নয়টা থেকে দশটার মধ্যে শেষ করে ফেলার চেষ্টা করি। আর, যদি কোনো কাজ পড়ে থাকে তাহলে সে কাজ
বিকাল চারটার পরে করব।
২. আবরণ বা ঢাকা: একান্তই রোদে বের হতে হলে ছাতা, সানগ্লাস, টুপি এবং সাদা রুমালে এসব মাথা - নাক - মুখ ঢেকে বের হই।
৩.ঠান্ডা ঘর : এই গরমে ঘর ঠান্ডা রাখতে
কার্যকর উপায়গুলি হল –
৩.১ জানালা: জানালার পাশে দাঁড়িয়ে বুঝতে চেষ্টা করি, কখন গরম বাতাস ঘরে ঢুকছে। তখন জানালা বন্ধ করে মোটা পর্দা ঠান্ডা জলে ভিজিয়ে ঝুলিয়ে দিই। এতে ঘর অনেকটা ঠান্ডা থাকে।
৩.২ মেঝে : বারবার ঠান্ডা জল দিয়ে মেঝে মুছি। এছাড়া স্প্রে বোতল দিয়ে কয়েক বার ঠান্ডা জল স্প্রে করতে থাকি।
৩.৩ খাট : ছাদ অনেক সময় গরম হয়ে সিলিং ফ্যান বা ছাদের গরম বাতাস নিচে নেমে আসে। এই জন্য দুপুরবেলা বিশ্রামের নিতে খাটের তলায় শরীরের বেশীরভাগ ঢুকিয়ে শুয়ে থাকি। এরফলে শরীরে গরম বাতাসের ঝাপটা কম লাগে।
৩.৪ পোশাক : স্নানের পর ভিজে পোশাক ঘরেই মিলে দিই। একসময় শুকিয়েও যায় এবং ঘর ঠান্ডা থাকে। এছাড়া গরমে সুতির পোশাক গায়ে দিলে আরামবোধ হয়।
৩.৫ ফ্যান : স্ট্যান্ড ফ্যানের সামনে ঠান্ডা জল কিংবা বরফের টুকরো রাখি। এতে ঘরের বাতাসের তাপমাত্রা কমে। আর সন্ধ্যাবেলা ঘরের বিপরীত মুখী দুটি জানালায় পৃথক ভাবে দুটি ফ্যান বিপরীত মুখী করে বসাই। একটি ফ্যান ঘরের গরম বাতাস বের করে দেয় এবং অন্যটি বাইরের ঠান্ডা বাতাস ভিতরে ঢোকায়।
৪.খাওয়া : সুক্তো, আম ডাল, মাছের পাতলা ঝোল, ঝিঁঙে ও পটলের তরকারি, আমের চাটনি এই ধরনের খাবার খাই। শসা, টক দই জাতীয় খাবার শরীর ঠান্ডা রাখতে সাহায্য করে।
৫.পানীয় : ডাব, লেবু, নুন ও চিনির শরবত, ওয়ারেস, ইলেকট্রোল পাউডার, লস্যি ইত্যাদি যে কোন এক প্রকার শরবত পান করি। এগুলো শরীরের জলের জলের যোগান বাড়ায় এবং শরীর ঠান্ডা রাখে।
৬. উদ্দীপনা এড়ানো : ভোটের পরিস্থিতি, আইপিএলের হারজিত, নিউজ চ্যানেলে তর্ক ও 'পাশের বাসায় এসি আছে', এসব বিষয়ে কান দিই না। ফলে শরীর ও মাথা তাপমাত্রা কম থাকে।
৭.গাছ : বাড়ি চারিপাশে এবং ছাদের টবে গাছ লাগাই। গরম থেকে মুক্তির সবচেয়ে সহজ উপায়।
সবশেষে গুরুত্বপূর্ণ তথ্যটি হল –
৮.মাথাকে সঠিক তথ্য দেওয়া : নিজের মাথাকে বোঝাই, "এটা গরমকাল এখন গরম পড়বে। বহু বছর ধরে এমন গরম পড়ে আসছে। মানুষ গরম গরম বলে ঘ্যানর ঘ্যানর করতে থাকে। কিন্তু গরমকে না মেনে উপায় নেই। আর গরম না পড়লে আম জাম কাঁঠাল লিচু মিষ্টি হবে না। অনেক মানুষ আছে যারা জীবিকার প্রয়োজনে এই প্রখর রোদে রাস্তাঘাটে বাড়িতে কাজ করছেন এবং কিছু মানুষ ফুটপাতে থাকে। তাদের কথা ভাবলে গরম এমনি কমে যাবে।"
![]() |
| ঠান্ডা থাকার নিনজা টেকনিক। ঠান্ডা থাকার আট উপায়। |
_______________________________________


কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন